Posts

Showing posts with the label চৈতন্য মহাপ্রভু

গৌড়ীয় বা বঙ্গীয় বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করাই চৈতন্যে মহাপ্রভুর লক্ষ্য ছ্লি না।

Image
  গৌড়ীয় বা বঙ্গীয় বৈষ্ণব ধর্ম চৈতন্যের জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে (১৪৮৬-১৫৩৩), এই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা, যাকে কৃষ্ণ-চৈতন্য, চৈতন্য মহাপ্রভু এবং গৌরাঙ্গ ("ন্যায্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ") বলা হয়। গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের চৈতন্যও বলা হয়। চৈতন্য দেবতার আলিঙ্গনে তাঁর উৎসাহে মাত্র আটটি শ্লোকের একটি সংস্কৃত কবিতা লিখেছিলেন, যদিও কৃষ্ণ এবং রাধার প্রেমের অভিজ্ঞতা পেয়ে তাঁর উচ্ছ্বসিত গান এবং নাচ অন্যদের অনুপ্রাণিত করেছিল। এই অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন ছয়টি গোসভামিন ("যাজক"), যারা এই সম্প্রদায়ের একটি ধর্মতত্ত্ব লিখেছিলেন। বেদান্তের দ্বৈত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মাধবের প্রভাব সনাক্ত করা যায় চৈতন্যের জন্য, একটি মাধব তপস্বী দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং এই সম্প্রদায়ের সংগঠক নিত্যানন্দ ছিলেন প্রাক্তন মাধব তপস্যা।

হিন্দুত্ববাদ ও মহাপ্রভুর অবদান

Image
আজকাল ’হিন্দুত্ববাদ’ শব্দটির সাথে সকলে পরিচিত। কিন্তু এই হিন্দুত্ববাদী চেতনার জাগরণ আজ থেকে নয়। কালক্রমে  বিভিন্ন যুগপুরুষের হাতে সাকার হয়েছে আজকের হিন্দুত্ববাদী চেতনা। মধ্যযুগে যে যুগপুরুষের হাত ধরে হিন্দুত্ববাদী নবজাগরণ তিনি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু। ১৪০৭ শকাব্দে (১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে) যখন মহাপ্রভুর আবির্ভাব তখন ভারতবর্ষে কঠোর মুসলিম শাসন। দিল্লীতে তখন লোদী বংশের শাসন। ১৪৮৯ খ্রিস্টাব্দে সিকান্দার লোদী দিল্লীর গদীতে বসেন এবং মথুরা ও অগ্রবন(বৃন্দাবনের অন্যতম বন) ধ্বংস করে আগ্রা স্থাপন করেন। বঙ্গদেশে তখন শাহ সুলতানদের শাসন চলছে। প্রকাশ্যে হরিধ্বনি, হরিনাম, পূজার্চন নিষিদ্ধ তখন। সুলতানের অনুচরদের কানে খবর গেলে গ্রামসহ উৎখাত করা হতো।  রাত্রিবেলায় হরিনাম করতেও জনসাধারণ ভয় পেত।