Posts

Showing posts with the label ধর্ম

কোরানে কি লেখা আছে, যিশু খ্রিস্ট মুসলমানদের দৃষ্টিকোণ থেকে?

Image
 ইসলামের শেষ নবী, মোহাম্মদ (সাল-লাল-লাহো আলাইহি ওয়াসাল্লাম) 630 খ্রিস্টাব্দে মক্কা জয় করে তার প্রথম স্বপ্নের একটি পূরণ করেছিলেন। এরপর তিনি মক্কা নগরী থেকে পৌত্তলিকতার নাম-ও-নিশান মুছে ফেলার আদেশ জারি করেন। মক্কার উপর মোহাম্মদ সাহেবের এই ধর্মীয় বিজয়ের মধ্যেও গভীর রাজনৈতিক সংকেত লুকিয়ে ছিল। মক্কাকে নতুন ধর্মের মারকাজ ঘোষণা করা হয়; অতএব, মক্কা বিজয় ছিল এক আল্লাহর প্রতি আহ্বানের পূর্ণতা। কাবায় প্রবেশের পর, অর্থাৎ যে বর্গাকার ভবনে শহরের সমস্ত মূর্তি রাখা হয়েছিল, নবী মোহাম্মদ সেখান থেকে সমস্ত মূর্তি সরিয়ে ফেলা বা ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কাবায় রক্ষিত সমস্ত দেব-দেবীর মূর্তিগুলির মধ্যে একটি ছিল একটি কুমারী মেয়ে এবং তার সন্তানের। এই খ্রিস্টান মূর্তির দিকে অগ্রসর হয়ে, মোহাম্মদ এটিকে তার পোশাকে ঢেকে দেন এবং সেখান থেকে অন্য সমস্ত মূর্তিগুলিকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এটি একটি সত্য বা একটি মিথ্যা? এই প্রশ্ন কোন ব্যাপার না. আমি যে প্রতিবেদনটি উদ্ধৃত করেছি তা কমপক্ষে 1200 বছর পুরানো এবং ইসলামিক লেখার প্রথম দিকের সময়কালের। কিন্তু, এই গল্পটি যা বলে, তা হল ইসলাম এবং যিশু খ্রি...

শক্তিপূজায় বলি কী আবশ্যকীয় উপাচার ?

Image
সনাতন ধর্মে পশুবলি প্রথা দৃষ্টিকটু হলেও, শাস্ত্রে নিষিদ্ধ নয়।শুধুমাত্র বৈষ্ণব শাস্ত্রাদিতে পশুবলির আবশ্যকতা খুব একটা পাওয়া যায় না। এর অন্যতম কারণ বৈষ্ণব শাস্ত্রাদিতে ও উপাসনায় অহিংসা তত্ত্বের প্রভাব এবং শ্রীরামানুজাচার্য, শ্রীমধ্বাচার্য, শ্রীনিম্বার্ক এই প্রধান চার বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের প্রধান আচার্যবৃন্দ সকলেই দক্ষিণ ভারতের। আর বলার অপেক্ষা রাখে না, দক্ষিণ ভারতে ঐতিহাসিকভাবেই নিরামিষাশী প্রভাব প্রবল। সেখানে বহু মুসলিম এবং খ্রিস্টানরাও নিরামিষাশী।এই নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসেরই সরাসরি প্রভাব পরেছে বৈষ্ণব সম্প্রদায়গুলোর উপরে। কিন্তু এর পরেও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের বেদের পরে প্রধানতম গ্রন্থ শ্রীমদ্ভাগবত এবং বিষ্ণু পুরাণে ধূপ, প্রদীপ, উপহার এবং বলি দ্বারা পূজা করতে বলা হয়েছে। তবেই দেবী সকল মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন। অর্চিষ্যন্তি মনুষ্যাস্ত্বাং সর্বকামবরেশ্বরীম্‌ । ধূপোপহারবলিভিঃ সর্বকামবরপ্রদাম্‌ ।। ( শ্রীমদ্ভাগবত: ১০. ২.১০) "তুমি সর্বলোকের সকলের প্রার্থনাপূরণকারিণী বরদাদেবীরূপে পূজিতা হবে। লোকে ধূপ,প্রদীপ, উপহার এবং বলি দ্বারা সকল মনোবাঞ্ছা পূরণের জন্যে তোমার পূজা করবে।" আদ্যাশক্তি মহামায়ার উদ্দ...

বৃন্দাবন ত্যাগ করে চিরতরে মথুরায় গমনকালে শ্রীকৃষ্ণের বয়স কত ছিল- শাস্ত্রীয় রেফারেন্স

Image
আজকাল আমরা ভারতীয় হাস্যকর, অবাস্তব, মনগড়া, কাল্পনিক কিছু সিরিয়াল দেখি। সেখানে আমরা দেখি রাধানাম্নী এক কাল্পনিক চরিত্রের সাথে যুবক বয়সী শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী । একদম যেন সিনেমার কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রেমকাহিনীর মতো। শ্রীকৃষ্ণের জীবনীগ্রন্থ হলো হরিবংশ । তাঁর জন্ম, বাল্যকাল থেকে শুরু করে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সব হরিবংশে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হরিবংশে উল্লেখিত আছে । যদিও এই হরিবংশের ৮০ শতাংশেরও বেশী পরবর্তীকালের লেখা প্রক্ষিপ্ত শ্লোক, এর কোন অংশেই রাধা নামের কারো নামধাম, অস্তিত্ব ই নেই । অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের জীবনীতে রাধা নামের কারও অস্তিত্ব নেই। একদম অনেক পরবর্তীকালে লেখা কিছু বৈষ্ণবীয় সাহিত্য ও পৌরাণিক রূপকথার গ্রন্থে এই কাল্পনিক চরিত্রের কথা পাওয়া যায় । 

শ্রীগণেশ চতুর্থী তিথির মাহাত্ম্য ও অষ্টশত নাম

Image
'গণ' অর্থ - শ্রেণী, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় এবং 'ইশ' অর্থ - প্রভু। শিবগণ ও দেবগণের অধিপতি হওয়ার কারণে তাকে 'গণেশ' বলা হয়। যে কোন দেবতার পূজার শুরুতে, যেকোনো ভালো কাজ এবং আচার -অনুষ্ঠানে, এমনকি সাধারণ কাজেও, ভগবান গণপতিকে স্মরণ করা হয়, যথাযথভাবে পূজা করা হয়।  বৈদিক এবং অনাদিকাল থেকে শ্রীশ্রী গণেশ ঠাকুরের পূজা করা হয়। গণেশজী একজন বৈদিক দেবতা কারণ ঋগ্বেদ-যজুর্বেদ উভয় জায়গায় গণপতিজির মন্ত্রের স্পষ্ট উল্লেখ আছে। শ্রীগণেশ মহাভারতের রচনা-কাজও করেছিলেন। ভগবান বেদ ব্যাস যখন মহাভারত সৃষ্টির কথা ভেবেছিলেন, তখন তিনি এটি লিখতে গিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। ভগবান  ব্রহ্মা তাকে বলেছিলেন যে এই কাজটি শ্রীগণেশের দ্বারা করা উচিত।

শ্রীমদ্ভগবতগীতা : ‘ওম গঙ্গা গীতা চ’ মাহাত্ত্ব্য মন্ত্রের ব্যাখ্যা

Image
ওম গঙ্গা গীতা চ সাবিত্রী সীতা সত্যা পতিব্রতা ব্রহ্মাবলি ব্রহ্মবিদ্যা ত্রিসন্ধ্যা  মুক্তিগেহিনী  অর্ধমাত্রা চিতানন্দা ভবঘ্নী ভ্রান্তিনাশিনী বেদত্রয়ী পরানন্দা ত্বত্তার্থজ্ঞানমঞ্জুরী ।। ভাগবত পুরাণ:   হিন্দু ধর্মের আঠারোটি পুরাণের মধ্যে একটি পূরাণ ভাগবত পুরাণ। এর মূল প্রতিপাদ্য হল ভক্তিযোগ , এখানে কৃষ্ণকে সমস্ত দেবতার ঈশ্বর বা স্বয়ং ভগবান হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই পুরাণের লেখক বেদ ব্যাস বলে মনে করা হয়। ভাগবত পুরাণ বৈষ্ণবদের একটি শ্রদ্ধেয় পাঠ্য। শ্রীমদ্ভগবতগীতা ভারতীয় সাহিত্যেও বেশ জনপ্রিয়। মূলত এটি ভগবান শুকদেব মহারাজ কর্তৃক পরীক্ষিতের কাছে বর্ণিত ভক্তিমার্গে থেকে ঈশ্বর প্রাপ্তির উপায়, পরামর্শ  বা দিকনির্দেশনা । এর প্রতিটি শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রেমর সুবাস রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপাখ্যানের অনুপ্রেরণার একটি চমৎকার সংগ্রহ যার মধ্যে রয়েছে-জ্ঞান, নিখুঁত জ্ঞান, অর্থ-ভক্তি, সিদ্ধ-ভক্তি, মার্যাদ-মার্গ, অনুগ্রহ-মার্গ, দ্বৈততা, অ-দ্বৈততা। শ্রীমদ্ভগবতগীতা পাঠের পর আমরা মাহাত্ব্যপাঠ করে থাকি অনেকেই বলে থাকেন মাহাত্ব্য পাঠ না করলে গীতাপাঠের ফল বা পণ্য লাভ হয় ন...

বাড়িতে শ্রী গণেশ ঠাকুরের প্রতিস্থাপন এবং কীভাবে বির্সজন করবেন, জেনে নিন সহজ পদ্ধতি

Image
ওম  গণপথ্যে নমো নমঃ শ্রী সিদ্ধিভিনায়ক নমো নমঃ অষ্ট বিনায়ক নমো নমঃ গণপতি বাপ্পা মোড়ায়  বিশ্বাস অনুসারে ভদ্রপদের শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। এই দিনে মাটির তৈরি গণেশ প্রতিটি বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে, এইবার গণেশ উৎসব ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ থেকে শুরু হচ্ছে এবং নিমজ্জন হবে অনন্ত চতুর্দশী অর্থাৎ ১৯ সেপ্টেম্বর। আসুন জেনে নেওয়া যাক গণেশ মূর্তি স্থাপন ও বিসর্জনের সহজ পদ্ধতি।

নাগপঞ্চমী: শ্রী শ্রী মনসা দেবীর ধ্যান মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, অঞ্জলি পদ্ধতি এবং কালসর্প যোগের শুভদিক জেনে নিন।

Image
  সিনেমাতে আমরা অনেকেই ইচ্ছেধারী নাগ-নাগিনের চরিত্র দেখেছি। আদৌ তেমন কিছু আছে কিনা বিজ্ঞান এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি। সনাতন ধর্মের অনুসারীরা জগৎ পরমেশ্বরের শরীর জ্ঞানে জগতের সব কিছুকেই শ্রদ্ধা বা পূজা করেন। নদ-নদী, পাহাড় পর্রবত থেকে শুরু করে বিষধর সাপ পর্যন্ত পূজিত হয় সর্ব প্রচীন এই ধর্মে। সনাতন ধর্মের গ্রন্থগুলোতে আমরা বেশ কিছু সাপের বীরত্বের কথা শুনে থাকি। যেমন: অনন্ত, বাসুকি, শঙ্খ, পদ্মা, কম্বল, কারকোটক, অশ্ব্বর, ধৃতরাষ্ট্র, শঙ্খপালা, কালিয়া, তক্ষক ও পিঙ্গাল ইত্যাদি। এদেরকে নাগপঞ্চমী তিথিতে বিশেষভাবে শ্রী শ্রী মনসা দেবী রূপে পূজা দেয়া হয়। শ্রাবণ মাসের শুক্ল পঞ্চমী তিথিতে নাগ পঞ্চমী। আজ নাগ পঞ্চমী তিথি সম্পর্কে কিছূ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিতে চলেছি।

আরতি তত্ত্ব বা আরতি-মাহাত্ম্য ও আরতির শাস্ত্রীয় বিধি

Image
  আরতি আরতি = আরাত্রিক = নীরাজন । আরতিকে আরাত্রিক বা নীরাজন বলে । আরম্ + ক্তি ভাববাচ্যে = আরতি । “ আ ” অর্থে ব্যাপ্তি ; “ রতি ” অর্থে প্রেম , প্রীতি , ভালবাসা ও অনুরাগ । সুতরাং যে অনুষ্ঠান বা প্রকরণের দ্বারা ইষ্টের বা শ্রীভগবানের   নিজের প্রীতি বৰ্ধিত হয় অর্থাৎ তিনি সাধকের প্রতি প্রসন্ন বা সন্তুষ্ট হন এবং ইষ্টের প্রতিও সাধকের প্রেম , প্রীতি , ভালবাসা ও অনুরাগ বৃদ্ধি পায় , তাহাকে আরতি বলে । সুতরাং আরতি কখনও শুষ্ক অনুষ্ঠান নয় । ইহা অন্তরের গভীর ভাবের জিনিস ।

ষোড়শ সংস্কার, ব্রহ্মাণ্ড বা চতুর্দশ ভুবন, প্রধান নাড়ী ও নমস্কার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

Image
  ষোড়শ সংস্কার   মানুষের তথা জগতের কল্যাণের জন্য ত্রিকালজ্ঞ ঋষিগণ হিন্দুর সমগ্র জীবনধারাকে বিভিন্ন বিধি - নিষেধ ও নিয়মাবলীর দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে গিয়েছেন । সেই বিধি - নিয়মগুলিকে সংস্কার বলা হয় । তাঁরা মানুষের সমগ্র জীবনকে ষোলভাগে ভাগ করে তাকে ‘ ষোড়শ সংস্কার ’ বলে অ্যাখায়িত করেছেন । সেইগুলি হল-          ( ১ ) গর্ভাধান         ( ২ ) পুংসবন         ( ৩ ) সীমন্তোন্নয়ন         ( ৪ ) জাতকৰ্ম্ম        ( ৫ ) নামকরণ        ( ৬ ) নিষ্ক্রমণ        ( ৭ ) অন্নপ্রাশন        ( ৮ ) চূড়াকরণ        ( ৯ ) কর্ণবেধ        ( ১০ ) উপনয়ন     ( ১১ )  বিদ্যারম্ভ   বা   ব্রহ্মচর্য্য    ( ১২ )  সমাবর্তন      ( ১৩ )  বিবাহ   বা   গার্হস্থ্য        ...

চরিত্র গঠন কেন গুরুত্বপূর্ণ ?

Image
পৃথিবীর সকল সম্পদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হল চরিত্র । চরিত্র অমূল্য সম্পদ । সব সম্পদ চলে গেলেও যদি চরিত্র সম্পদ থাকে তবে কোন সম্পদের হানি হয় না । একমাত্র চরিত্র সম্পদ দ্বারা মানুষ সব সম্পদ ফেরত পেতে পারে । আর চরিত্র সম্পদ নষ্ট হলে সব সম্পদ নষ্ট হয়ে যায় ।

কলিযুগে সংঘ শক্তি: চৈতন্য মহাপ্রভু

Image
শাস্ত্রানুসারে বর্তমান সময়কে কলিযুগ বলা হয়। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কলিযুগের অবতার। যিনি হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্রের প্রবক্তা। চৈতন্য মহাপ্রভু বলেছেন, “সঙ্ঘ শক্তি কলৌ যুগে ” । তিনি তৎকালীন সময়ে অত্যাচারী চাঁদ-কাজীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে মশাল মিছিল করেন। আমরা হয়ত অনেকেই জানি এবং বিশ্বাস করি কলিযুগে টিকে থাকতে হলে এবং আসুরিক শক্তিকে প্রতিহত করতে হলে সংঘ শক্তির বিকল্প নেই। তবুও আমরা সংঘবদ্ধ হতে পারছি না। কিন্তু কেন?

ভগবান কাহাকে বলে?

Image
  সমগ্র ঐশ্বৰ্য্য , বীৰ্য্য , যশ , শ্রী , জ্ঞান ও বৈরাগ্য — এই ছয়টিকে ‘ ভগ ' বলে । এই ছয়টি গুণ যাঁহার মধ্যে পূর্ণভাবে বিদ্যমান , তাঁহাকে ভগবান বলে | “ ঐশ্বৰ্য্যস্য সমগ্ৰশ্চ বীৰ্য্যস্য যশসঃ শ্রিয়ঃ ।। জ্ঞান - বৈরাগ্যয়াশ্চৈব ষগ্নাং ভগ ইতীঙ্গনা ।।” উৎপত্তিং চ বিনাশঞ্চ ভূতানামাগতিং গতিম্ । বেত্তি বিদ্যামবিদ্যাঞ্চ স বাচ্যো ভগবানিতি ।। — বিষ্ণুপুরাণ অর্থাৎ   যিনি প্রাণীগণের উৎপত্তি ও বিনাশ , পরলোকে গতি ও ইহলোকে আগমন , বিদ্যা ও অবিদ্যা — সমস্তই অবগত আছেন তাহাকে ভগবান বলে । অথচ ভারতীয় উপমহাদেশে গত 200 বছরে শতশত ভগবানের জন্ম হয়েছে। তারমধ্যে কয়েকজনের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, যেমন- রামরহিম, রাঁধে মা প্রভূতি। বাকিরা এখনো তার শিষ্যদের কাছে ভগবান রূপেই পূজিত। শিষ্য গুরুকে শ্রদ্ধা করবে কিস্তু তাকে ভগবানের জায়গা কখনোই দিতে পারেনা। একজন গুরুর দায়িত্ব তার শিষ্যকে ঈশ্বর প্রাপ্তির পথ দেখানো আর শিষ্যের  কর্তব্য হল গুরু নির্দেশিত  পথে জীবন পরিচালিত করা। অথচ গুরু স্বয়ং ঈশ্বর সেজে বসে যান। এজন্য অবশ্যই তাকে সদগুরুর সন্ধান করতে হবে।গুরু যদি হন...

গঙ্গা স্নানের মাহাত্ম্য ও তার ফলাফল, কবে, কোন স্নান করা উচিত ?.... শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা

Image
 গঙ্গা হল পুণ্যদায়িনী। এটা আমরা সকলেই জানি। তাই আমরা সকলেই গঙ্গা স্নান করে থাকি পুণ্য লাভের আশায়। আবার বাঙালির সমস্ত পূজোতে গঙ্গা জল, গঙ্গা মাটি অবশ্য প্রয়োজনীয়। আর কিছু বিশেষ বিশেষ তিথিতে যদি গঙ্গা স্নান করা যায় তাহলে অনেক পুণ্য সঞ্চয় করা যায়। আসুন জেনে নি সেই বিশেষ তিথিতে গঙ্গাস্নানের মাহাত্ম্য। আমাদের প্রাচীন পুরাণে গঙ্গাস্নানের মাহাত্ম্যের কথা অনেক লেখা আছে। এমনকি গঙ্গার মাহাত্ম্যর কথা ভগবান শিব বলেছিলেন পার্বতীকে। আসুন তাহলে জেনে নিন কোন কোন তিথিতে গঙ্গা স্নান করলে আপনার পুণ্য সঞ্চয় হবে। ১ . দশহরা স্নান ফল - জ্যৈষ্ঠ মাসের মঙ্গলবার শুক্লা দশমী তিথিতে যদি দশহরা পড়ে তাহলে সেদিন গঙ্গা স্নান করলে দশ জন্মের অর্জন করা সব পাপ ক্ষয় হয় আর অযুত অশ্বমেধ যজ্ঞের যে ফল তা লাভ করা যায় । এই যোগ ভাগিরথ দশহরা নামে পরিচিত । ২ . বারুনী স্নান - স্কন্দ পুরাণে লেখা আছে যে চৈত্রমাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্র যোগ হলে সেই তিথি বারুণী নামে পরিচিত । এই তিথিতে স্নান করলে বহুশত সূর্যগ্রহনের জন্য গঙ্গাস্নানের যে ফল সেই ফল ...