Posts

পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দজী মহারাজের সংক্ষিপ্ত জীবনী

Image
শ্রীভগবান ধৰ্ম্ম সংস্থাপনের জন্য যখন জগতে অবতরণ করেন , তখন তার লীলাকার্য্যের সহায়তার জন্য স্বর্গের দেবতারা মর্তে নেমে আসেন । বর্তমান যুগের ভগবান যুগাচাৰ্য্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ যখন জগতে অবতীর্ণ হন তখন তার লীলাপার্ষদ রূপে যে সমস্ত দেববালক জন্মগ্রহণ করেন তার মধ্যে শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দজী মহারাজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ পার্ষদ ।

পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী বিজ্ঞানানন্দজী মহারাজের সংক্ষিপ্ত জীবনী

Image
শ্রীভগবান ধর্মসংস্থাপনের জন্য যখন জগতে অবতরণ করেন , তখন তার লীলাকার্যের সহায়তার জন্য স্বর্গের দেবতারাও এই মর্ত্যধামে নেমে আসেন । বর্তমান যুগের ভগবান যুগাচাৰ্য্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ যখন জগতে অবতীর্ণ হন , তখন তাঁহার শ্রেষ্ঠ লীলাপার্ষদরূপে যে সমস্ত দেববালক জন্মগ্রহণ করেন , তাঁহাদের মধ্যে শ্রীমৎ স্বামী বিজ্ঞানানন্দজী মহারাজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ পার্ষদ ।

ভারতের ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণী লুকিয়ে আছে ভবিষ্য পুরাণে! একসময় শিব মন্দির এভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল

Image
 ভবিষ্য পুরাণ অষ্টাদশ হিন্দুপুরাণের অন্যতম তথা একটি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু শাস্ত্রগ্রন্থ। এই পুরাণ সংস্কৃতে লিখিত এবং সাধারণ বিশ্বাস অনুযায়ী বেদ-সংকলক মহর্ষি ব্যাসদেব এই গ্রন্থের রচয়িতা। ভবিষ্য পুরাণ নামকরণের মধ্যেই স্পষ্ট এই পুরাণের মূল উপজীব্য বিষয় ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত ভাববাণী বা ভবিষ্যদ্বাণী। ভাবীপুরাণে উল্লেখ আছে যে এক সময় যখন ভারতের সীমানা হিন্দকুশ পর্বত পর্যন্ত ছিল, তখন সনাতনের সর্বশেষ শিব মন্দির ছিল হিন্দকুশ পর্বতে। এর পাশের জায়গাটিকে বলা হতো নরক বা নরক। একই সাথে, অনেক ইতিহাস বইয়ে উল্লেখ আছে যে হিন্দকুশ পর্বত জুড়ে কালো জল ছিল এবং সেখানে বসবাস করা কঠিন ছিল। এই মরুভূমিতে কোন জীবন ছিল না এবং যারা বাস করত তারা মানুষ ছিল না। এই কারণেই ভগবান শিবের ঘোষণা ছিল যে এই শিব মন্দিরের বাইরে কেউ যাবে না। ভক্তরা এখানে আসা পর্যন্ত যাত্রা শেষ করে ফিরে আসতেন।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী তিথির মাহাত্ম্য

Image
 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের মহাপবিত্র তিথির নামই জন্মাষ্টমী। এ জন্মাষ্টমী তিথিতেই উদযাপিত হয় জন্মাষ্টমী ব্রত। এ ব্রত সম্পর্কে স্কন্দ পুরাণে বলা হয়েছে, জন্মাষ্টমী ব্রত স্ত্রীপুরুষ নির্বিশেষে সকল মানবেরই প্রতিবছর করা একান্ত কর্তব্য। এই ব্রত করিলে সন্তান, সৌভাগ্য, আরোগ্য, অতুল আনন্দ এবং ধার্মিকতা প্রভৃতি ইহকালে লাভ করে পরকালে স্বর্গপ্রাপ্তি হয়ে থাকে।

খন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে ছিলেন বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড।

Image
খন্দকার মোশতাক রাজনীতিতে  ১৯৪২ সালে যোগ দেন। তিনি আহমেদ যুক্তফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন  ১৯৫৪ সালে।১৯৫৪ সালে তাকে কারাবরণ করতে হয় কারণ  কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৩ সালের আর্টিকেল ৯২-এ ব্যবহার করে যুক্তফ্রন্ট সরকার ভেঙ্গে দিয়েছিলেন।  তিনি ১৯৫৫ সালে মুক্ত হয়ে আবার সংসদে যুক্তফ্রন্টের চিফ হুইপ হিসেবে নির্বাচিত হন। সামরিক শাসন জারি করার পর  ১৯৫৮ সালে তিনি আবার বন্দি হন।  ছয়-দফার সমর্থন করায় ১৯৬৬ সালে তাকে আবার কারাবরণ করতে হয়।  ১৯৬৯ সালে  দেশের আটটি রাজনৈতিক দল  আইয়ুব বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ গঠন করলে তাতে খন্দকার মোশতাক আহমেদ পশ্চিম পাকিস্তান অংশের সমন্বয়ক ছিলেন। ১৯৬৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে আইয়ুব খানের ডাকা গোল টেবিল বৈঠকে তিনি আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।

পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দজী মহারাজের সংক্ষিপ্ত জীবনী

Image
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন —“ যখনই জগতে ধৰ্ম্মের গ্লানি ও অধৰ্ম্মের প্রাদুর্ভাব হয় , তখনই আমি ধরাধামে অবতীর্ণ হই । ” শ্রীভগবান যখন এই মর্ত্যধামে নেমে আসেন তখন তার লীলাকাৰ্য্যের সহায়তার জন্য স্বর্গের দেবতারাও তাঁর সঙ্গে জগতে অবতরণ করেন ।

সমরেশ মজুমদার : জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ

Image
বই;-জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ. লেখক;-সমরেশ মজুমদার. জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ সমরেশ মজুমদারের একটি অন্যতম সৃষ্টি। ১৯৯৯সাল প্রথম প্রকাশিত এবং অসাধারণ এই উপন্যাসের কাহিনী সত্যিই চমৎকার ভাবে বিন্যস্ত। উপন্যাস এর মূল চরিত্রে রয়েছেন অবন্তি ও স্বর্ণেন্দু যেখানে বাংলা উপন্যাসের জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ সমরেশ মজুমদারের নামে বইয়ের নামে একটি কঠিন অর্থ অন্যদিকে নামের অর্থ আমাদের বিষন্নতা। সমরেশ মজুমদার বর্ণিত উপন্যাসে অবন্তি’র দু'চোখে অপার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা একটি মেয়ে।এম.এ.তে ফার্স্টক্লাস পাওয়া, ভাল চাকরি,বাবা মায়ের মুখের হাসি এই ছিল জীবনের লক্ষ্য।বাবা স্কুল মাস্টার কমলাকান্তের ও একান্ত ইচ্ছে ছিল এমনই। সাহিত্যানুরাগী বাবা সবসময় মেয়েকে স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা যোগাতেন। হাসিখুশিতে ভরা ছিল তাদের জীবন।স্বপ্নময়ী এই মেয়েটির জীবনে একদিন আবির্ভাব ঘটে স্বর্ণেন্দু নামের এক যুবকের। চঞ্চল রঙ্গিন ফড়িং এর মত অবন্তির নিস্তরঙ্গ জীবনে সে সঞ্চার করে অন্যরকম এক প্রাণের স্পন্দন। বাবা কমলাকান্ত চ্যাটার্জিও খুশি হয় তাদের দেখে। ঠিক করেন খুব শীঘ্রই বিয়ে দিয়ে দিবেন তাদের। তবে রূপকথার মত এই জীবনের হঠাৎ ঘটে ছন...